আপনারা তাঁদের হাতকে শক্তিশালী করবেন এবং জুলুমবাজদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হবেন
কাল বৃহস্পতিবার বিকেলে রামশাকাজিপুর গ্রামে মুক্তি পাওয়া ব্যক্তিদের গণসংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে
দণ্ড মওকুফ পাওয়া বাকি ছয়জন আবুল হোসেন আতাউর রহমান আশরাফ হোসেন ওহিদুর রহমান ফররউদ্দিন ও সাজ্জাদ হোসেনের বিরুদ্ধে অন্য মামলা থাকায় তাঁরা রাজশাহী কারাগার থেকে ছাড়া পাননি
গামা হত্যার পর যা ঘটেছিল ২০০৪ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি বিকেলে সাব্বির আহম্মেদ ওরফে গামা খুন হন নিজ বাড়ির অদূরে কামারপাড়া মোড়ে
ঘটনাস্থলের পাশেই ছিল অস্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি
দুর্বৃত্তরা প্রকাশ্য দিবালোকে গামাকে হত্যা করে সর্বহারাদের নামে স্লোগান দিতে দিতে চলে যায়
গামা তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের উপমন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর ভাতিজা
এ হত্যাকাণ্ডের পরপরই গামার সহকর্মী বিএনপির ক্যাডাররা শাহপাড়ায় হামলা চালায়
পুলিশের উপস্থিতিতে তিন দিন ধরে তারা শাহপাড়া গ্রামে ও পাশের আমতলী বাজারে অর্ধশতাধিক বসতবাড়ি ও দোকানঘর গানপাউডার দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়
দমকল বাহিনীর কর্মীদেরও সেখানে যেতে দেওয়া হয়নি
এর আগে তারা প্রতিটি বাড়িতে বেপরোয়া লুটপাট করে
ঘরের টিন থেকে শুরু করে ইট পর্যন্ত খুলে নেওয়া হয়
গৃহপালিত পশুপাখি জবাই করে দৃর্বৃত্তরা বনভোজন করে
ঘটনার তিন দিন পর ১০ ফেব্রুয়ারি সকালে গ্রামের এক গৃহবধূ সন্ত্রাসীদের ভয়ে স্থানীয় কবরস্থানে আশ্রয় নেন
সন্ত্রাসীরা সেখান থেকে তাঁকে তুলে এনে নির্যাতন চালায়
সন্ত্রাসীদের দাপটে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে গ্রামের কেউ বাড়িতে ফিরে যেতে পারেনি
সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা আদালতে ২৬টি মামলা করলেও পুলিশ প্রভাবিত হয়ে প্রতিটি মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে
ক্ষতিগ্রস্ত শাহ পরিবারের সন্তান নাটোর সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন বিএনপি জোট সরকারের ক্যাডারদের তাণ্ডবে গোটা শাহপাড়া ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল
তিন মাস ধরে বাড়িঘরের ধ্বংসাবশেষে আগুন জ্বলেছে
দুলুর লোকজন আমাদের মাঠের শত শত বিঘার ফসল লুটপাট করেছে
দুই বছর ধরে আমরা মাঠে নামতে পারিনি
ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে গিয়েছিল
আর্থিকভাবে যে ক্ষতি হয়েছে তা আগামী ২০ বছরেও পূরণ করা যাবে না
একই পরিবারের ১৩ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ গামা খুনের মামলায় ২০০৬ সালের ২৪ আগস্ট ঢাকার দ্রুত বিচার আদালতের বিচারক ফিরোজ আলম একই পরিবারের ১৩ জনের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হচ্ছেন নলডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম ফিরোজ তাঁর সহোদর ফজলুল হক শাহ ফারুক শাহ ফরমাজুল শাহ ফকরউদ্দিন ওরফে ফুটু মাস্টার চাচা আনিসুর রহমান শাহ চাচাতো ভাই ফয়সাল শাহ সেন্টু শাহ জহুরুল শাহ জাহেদুল ইসলাম শাজাহান শাহ ভাতিজা সাজ্জাদ শাহ ও সোহাগ শাহ
তাঁরা সবাই নাটোর সদর উপজেলার রামশাকাজিপুর গ্রামের শাহ পরিবারের সদস্য
এস এম ফিরোজ স্থানীয় একটি কলেজে শিক্ষকতা করতেন
ঘটনার অনেক আগে থেকে তিনি সস্ত্রীক নাটোর শহরে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করতেন
তাঁর চাচাতো ভাই আনিসুর রহমান শাহ ২০০২ সালের ২৭ মে থেকে সপরিবারে নারায়ণগঞ্জে বসবাস করতেন
আনিসুর রহমান শাহ বলেন রামশাকাজিপুর গ্রামের একপ্রান্তে দুলুর তালুকদার পরিবার অন্যপ্রান্তে আমাদের শাহ পরিবারের লোকজন বসবাস করতাম
গামা খুন হওয়ার অনেক আগে থেকে তালুকদার পরিবারের লোকজন আমাদের ওপর নির্যাতন করত
সামাজিক শান্তির জন্য আমরা বিবাদে জড়াতাম না
২০০৭ সালের শুরুতে তালুকদার পরিবারের লোকজন ক্ষমতার জোরে আমার ১১ বিঘা জমির পাকা ধান কেটে নেয়
তখন নিরুপায় হয়ে আমি আমার ছেলেদের নিয়ে গ্রাম ছেড়ে নারায়ণগঞ্জে চলে যাই
কিন্তু তাতেও আমি ও আমার ছেলেরা রেহাই পাইনি
গামা হত্যা মামলায় আক্রোশবশত আমাদের আসামি করা হয়েছে
মামলার ২ নম্বর আসামি এস এম ফিরোজ বলেন আমরা বরাবরই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত
আর দুলুর পরিবার মুসলিম লীগ থেকে বিএনপি দলের সঙ্গে যুক্ত
তাই রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় আমার পরিবারকে মামলায় জড়িত করে মিথ্যা সাক্ষীর ভিত্তিতে সাজানো বিচার করা হয়েছিল
আমরা এই রায় মেনে নিতে পারিনি
ন্যায়বিচারের আশায় অপেক্ষা করেছি
মহামান্য রাষ্ট্রপতি আমাদের ক্ষমা করে দিয়েছেন
আমরা এ জন্য চিরকৃতজ্ঞ
দুজন সন্ত্রাসীও এ মামলা থেকে রেহাই পেলেন রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় নিষিদ্ধ সংগঠনের দুই শীর্ষ সন্ত্রাসীও রেহাই পেলেন
এঁরা হলেন পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টি এম-এল লাল পতাকার সদস্য আতাউর রহমান ও আশরাফ হোসেন
পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা যায় আতাউর রহমানের বিরুদ্ধে নলডাঙ্গার মাজেদ হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ ও একটি অস্ত্র মামলায় ৪৮ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ রয়েছে
আশরাফ হোসেনের বিরুদ্ধেও একটি অস্ত্র মামলায় ১৭ বছরের কারাদণ্ডাদেশ রয়েছে
দণ্ডাদেশ বহাল থাকায় তাঁরা রাষ্ট্রপতির ক্ষমা সত্ত্বেও রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ছাড়া পাননি
এ ব্যাপারে রুহুল কুদ্দুস তালুকদার বলেন নিম্ন আদালতের রায়ে কিছু নিরাপরাধ মানুষ শাস্তি পেতেও পারেন
তাঁরা উচ্চ আদালতে আপিলের মাধ্যমে খালাস পেতে পারতেন
এতে আমাদের কোনো আক্ষেপ থাকত না
কিন্তু আতাউর ও আশরাফের মতো ভয়ংকর সন্ত্রাসীরা রাজনীতিবিদদের ছত্রছায়ায় ও সহযোগিতায় হত্যা মামলা থেকে মুক্ত হওয়াটা সবার জন্য ক্ষতিকর
এরা সমাজের শত্রু
প্রতিক্রিয়া
বিতর্কিত পদক্ষেপ আস্থা কমায়
আস্থা কমতে কমতে একটি রাষ্ট্র ক্রমান্বয়ে অকার্যকর হয়ে পড়ে
হাইকোর্টে আপিল-প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করে মাঝপথে আপিল প্রত্যাহার করে সেই মামলার বিপুলসংখ্যক দোষী ব্যক্তির সাজা মওকুফের খবর অত্যন্ত অপ্রত্যাশিত দুর্ভাগ্যজনক এবং আমাদের রাষ্ট্রের ভবিষ্যতের জন্য সংকটময় একটি পদক্ষেপ
নাটোরের গামা হত্যা মামলায় বিচারিক আদালতের দেওয়া রায় এবং সেই রায়ে এত বেশিসংখ্যক ২০ জন আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করা ফাঁসির দণ্ড দেওয়াটা প্রশ্নাতীত নয়
ওই মামলার বিচারে রাজনৈতিক প্রভাব সম্ভবত   একটি ভূমিকা পালন করেছিল
তবে হয়তো সেখানেও সাক্ষীর কারণে আদালত এমন একটা অস্বাভাবিক রায় দিতে বাধ্য হয়েছিলেন
সম্ভবত আপিলে বিচারিক আদালতের রায়ের অসংগতিগুলো উঠে আসত এবং অনেকেই নির্দোষ প্রমাণিত হতেন
ফাঁসির মামলার আপিলের সব কাগজ ও নথি সরকারি প্রেসে ছাপাতে হয়
সরকারি প্রেসের সীমাবদ্ধতার কারণে শত শত ফাঁসির মামলার আপিল পাঁচ-সাত বছরেও নিষ্পন্ন করা যায় না
একবিংশ শতাব্দীতে এসেও একটি ছাপাখানার অভাবে শত শত মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিকে বছরের পর বছর কনডেম সেলে অমানবিক জীবন কাটাতে হয়
আমাদের রাষ্ট্রটা অনেক দিক দিয়েই বর্বর ও অকার্যকর হতে চলেছে
যদি ধরেও নিই বিচারিক আদালত এ মামলার বিচারে ভুল করেছিলেন
রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য ক্ষমতাসীন ব্যক্তিরা আমাদের আইন ও বিচার ব্যবস্থার অপব্যবহার করেছিলেন
সে কারণে এ মামলার দণ্ড পাওয়া আসামিদের সাজা মওকুফ ও মার্জনা যৌক্তিক
তা হলেও যে প্রক্রিয়ায় এটা করা হলো সেটার ফলে মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং আমাদের আইন বিচার তথা রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় জনগণের আস্থা কি বাড়বে সোজা উত্তর না
বরং জনমনে ক্রমশ রাষ্ট্রের প্রতিটি পদক্ষেপ ক্রমান্বয়ে প্রশ্নবিদ্ধ হবে
এটা আমাদের সবার জন্য অমঙ্গলজনক
এই ক্ষমা ও মার্জনার বিস্তারিত কারণ ও যুক্তি আমরা জানি না
ফলে এখন রাষ্ট্রপতির এই ক্ষমতার প্রয়োগ অর্থাৎ ক্ষমা ও মার্জনা প্রদর্শন প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে গেল
আমাদের সংবিধান অনুযায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে তাঁর কোনো কাজের জন্য আদালতে জবাবদিহি করতে হবে না
রাষ্ট্রপতির এই দায়মুক্তির কারণেই তাঁর প্রতিটি কাজ সব ধরনের প্রশ্নের ঊর্ধ্বে থাকতে হবে
রাষ্ট্রপতির কোনো কাজের ফলে যাতে তিনি প্রশ্নবিদ্ধ না হন অথবা তাঁর প্রতি আমাদের আস্থার কোনো হানি না ঘটে সেটা প্রতিটি মন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব
এ ঘটনায় রাষ্ট্রপতির ভূমিকাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও মন্ত্রণালয় চরম অদক্ষতার পরিচয় দিয়েছে
এ ধরনের অদক্ষতা রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব ও অবিবেচনাপ্রসূত সিদ্ধান্তের দায়ভার কাঁধে নিয়ে এবং রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রযন্ত্রের প্রতি আমাদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর উচিত হবে দায়িত্বশীল পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজনবোধে পদত্যাগও
এতে রাষ্ট্রপতির ওপর আমাদের আস্থা বহাল থাকবে
আশা করব ভবিষ্যতে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার প্রয়োগের কারণসংবলিত বিস্তারিত বিবৃতি সরকারি প্রেসনোটে থাকবে
যাতে এ নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি ও রাষ্ট্রের প্রতি আস্থাহীনতা তৈরি না হয়
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন সংশোধন হচ্ছে
শেয়ারবাজারে সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য দিতে হবে
অবৈধভাবে অর্জিত টাকার শেয়ারবাজারে প্রবেশ ঠেকানো এবং আরও কিছু ক্ষেত্র মানি লন্ডারিংয়ের আওতাভুক্ত করা হচ্ছে
ভবিষ্যতে শেয়ারবাজার-সংশ্লিষ্ট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ও পেশাদারদের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আওতায় সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য কেন্দ্রীয় ব্যাংককে জানাতে হবে
অর্থাৎ নতুনভাবে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আওতায় শেয়ারবাজারের স্টক ব্রোকার ও ডিলার পোর্টফোলিও ম্যানেজার ও মার্চেন্ট ব্যাংকার সিকিউরিটিজ কাস্টডিয়ান সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি অলাভজনক সংস্থা এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোকেও প্রতিবেদন প্রদানকারী সংস্থা হিসেবে বিবেচনা করা হবে
বাংলাদেশের মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী অর্থায়ন প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড-ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকশনস টাস্কফোর্সের এফএটিএফ সুপারিশ বাস্তবায়নে এসব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে
আজ বুধবার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ-সংক্রান্ত জাতীয় সমন্বয় কমিটির সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে
মানি লন্ডারিং-সংক্রান্ত ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন রিভিউ গ্রুপের আইসিআরজি কাছে বাংলাদেশের পরিস্থিতির ওপর প্রতিবেদন পাঠাতে এসব সিদ্ধান্ত দ্রুত নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে
উল্লেখ্য এখন ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিমা কোম্পানি মানি চেঞ্জার অর্থ প্রেরণ ও স্থানান্তরকারী প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নিয়ে যেসব প্রতিষ্ঠান ব্যবসা করে তাদের সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ বিভাগে পাঠাতে হয়
সূত্র জানায় জাতীয় সমন্বয় কমিটির সভায় মানি লন্ডারিং সম্পৃক্ত অপরাধের বর্তমান তালিকাও বাড়ানো হবে
নতুনভাবে এই অপরাধের মধ্যে যুক্ত হচ্ছে পুঁজিবাজার সম্পর্কিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশিত হওয়ার আগে তা কাজে লাগিয়ে শেয়ার লেনদেন করে সুবিধা নেওয়া ও ব্যক্তিগত সুবিধার লক্ষ্যে বাজার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসী কাজে অর্থ জোগান ভেজাল বা স্বত্ব লঙ্ঘন করে পণ্য উৎপাদন যৌন নিপীড়ন পরিবেশগত অপরাধ এবং সংঘবদ্ধ অপরাধ
পুঁজিবাজার সম্পর্কিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশিত হওয়ার আগে তা কাজে লাগিয়ে শেয়ার লেনদেন করে সুবিধা নেওয়া ও ব্যক্তিগত সুবিধার লক্ষ্যে বাজার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা অন্য আইনে এখনই অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়
একটি সূত্র বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলেছে ভবিষ্যতে এই অপরাধকে মানি লন্ডারিং আইন অনুসারেও অপরাধ বিবেচনা করা হবে
এ ধরনের অপরাধ হলে প্রতিবেদন প্রদানকারী সংস্থাগুলোকে তা বাংলাদেশ ব্যাংকের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ বিভাগে জানাতে হবে
সূত্র বলছে অন্যদিকে প্রতিবেদন প্রদানকারী সংস্থাগুলোকে সন্দেহজনক লেনদেন অর্থাৎ এমন যদি হয় হঠাৎ কোনো ব্রোকারেজ হাউসে শেয়ার কিনতে বড় অঙ্কের টাকা কোনো গ্রাহক নিয়ে আসেন যে টাকার উৎস পরিষ্কার নয় তাহলে তার তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠাতে হবে
অর্থাৎ যেকোনো ধরনের অবৈধভাবে অর্জিত টাকা শেয়ারবাজারে ঢোকার পথ বন্ধ করতেই এই উদ্যোগ
অপহরণের পরদিনই স্কুলছাত্র আশরাফকে হত্যা করা হয়
গত ১৬ আগস্ট তার বাবার কাছে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা
তিন মাস পর মুক্তিপণ নিতে গিয়ে গ্রেপ্তার দুই যুবক
